“সন্ত্রাসীর ধর্ম আছে—কিন্তু সন্ত্রাসবাদের কি কোনো ধর্ম আছে?” - illustration


একজন মুসলিম অপরাধ করলে অনেক সময় তার ধর্মীয় পরিচয়টি সামনে চলে আসে।

কিন্তু একজন অমুসলিম অপরাধ করলে সেটিকে সাধারণত তার ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবে দেখা হয়।


এই Double Standard কি সত্যিই ন্যায্য?


বিশ্বের ইতিহাস একটু গভীরভাবে দেখলে আমরা দেখতে পাই—


🌍 দুই বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাস মুসলিমদের দিয়ে শুরু হয়নি।

☢️ হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা মুসলিমরা নিক্ষেপ করেনি।

⛓️ উপনিবেশবাদ, দাসব্যবসা ও আদিবাসীদের ওপর ব্যাপক সহিংসতার ইতিহাসও কোনো একটি ধর্মের একক ইতিহাস নয়।

💊 বিশ্বের বিভিন্ন Drug Cartel ও Organized Crime Network-এর সঙ্গে বিভিন্ন ধর্ম ও জাতিগত পরিচয়ের মানুষ জড়িত ছিল।

🔪 হত্যা, চুরি, মানবপাচার, মাদক ও সংঘবদ্ধ অপরাধ—এসব কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের একচেটিয়া বিষয় নয়।


তাহলে কেন একজন অপরাধীর ব্যক্তিগত পরিচয়কে কখনো কখনো পুরো একটি ধর্মের পরিচয়ে পরিণত করা হয়?


অপরাধী একজন ব্যক্তি।

সন্ত্রাসী একটি সংগঠনের সদস্য।

কিন্তু ধর্ম হলো কোটি কোটি মানুষের বিশ্বাস।


একজন মুসলিম সন্ত্রাসী হলে তার অপরাধের বিচার অবশ্যই হবে।

একইভাবে একজন খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ বা অন্য কোনো ধর্মাবলম্বী অপরাধী হলেও তার অপরাধের বিচার হতে হবে।


Standard একটাই হওয়া উচিত।


কারণ—


👉 অপরাধের কোনো ধর্ম নেই।

👉 সহিংসতার কোনো ধর্ম নেই।

👉 সন্ত্রাসবাদের কোনো ধর্ম নেই।

👉 মানবতারও কোনো একক জাতি বা ধর্ম নেই।


আমাদের উচিত মানুষকে তার ধর্মীয় পরিচয় দিয়ে নয়, তার কাজ ও চরিত্র দিয়ে বিচার করা।


ইতিহাসকে আবেগ দিয়ে নয়—তথ্য, প্রমাণ ও Context দিয়ে দেখা দরকার।


আপনি কি মনে করেন—অপরাধের ক্ষেত্রে আমাদের একই standard সবার জন্য প্রয়োগ করা উচিত?


#Humanity #Justice #Equality #Peace #History #HumanRights #Terrorism #Islam #Leadership #LinkedInBangladesh #imrankhanlincoln